গ্রাম থেকে এইচএসসি শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকলাম—
কিন্তু অবস্থা এমন, ইমেইল কী জিনিস, সেটাই ঠিকমতো জানতাম না। ক্যাম্পাসের ল্যাবে বসে অন্যরা ফেসবুক চালাত, আর আমি গুগলে শুধু একটাই জিনিস সার্চ দিতাম:
“অনলাইনে আয় কিভাবে করে?”
কারণ মাথায় তখনই ঠিক—বাসা থেকে টাকা নেবো না, আর চাকরি-বাকরির নামে কারো দাসও হবো না। দিনে ক্লাস, সন্ধ্যায় টিউশন। ক্যাম্পাস থেকে মগবাজার পর্যন্ত হেঁটে যেতাম—টাকা বাঁচানোর জন্য। হঠাৎ একদিন এক বন্ধু বলল,
“কনটেন্ট লিখবি? পয়সা দিবে।”
তখন AI ছিল না, সব নিজে লিখতাম। ওয়ার্ডপ্রতি ৩০–৫০ পয়সা ইনকাম—এটাই ছিল আমার প্রথম টাকা। কাজ ভালো হওয়ায় হুট করে কাজের পাহাড়! টিউশন বাদ দিয়ে নিজের একটা ছোট টিম করলাম। কিন্তু UK ক্লায়েন্ট আর আমার মাঝে কয়েক লেয়ারের মিডলম্যান—রেট কম, লাভ কম।
একদিন ঠিক করলাম—মিডলম্যান বাদ। ডিরেক্ট ক্লায়েন্টই ধরবো।ঘাটাঘাটি করতে করতে এমন কিছু টেকনিক শিখলাম, যা ফাইভার/আপওয়ার্ক ছাড়াই আমার ইনবক্সে UK ক্লায়েন্ট আসতে শুরু করল। আর যখন প্রথমবার পাউন্ডে টাকা পেলাম— মাথা ঘুরে গেল। ওখান থেকেই গেমটা পাল্টে গেল। পাউন্ডে আয়, বাংলা টাকায় ব্যয়! তারপর লাখপতি থেকে কোটিপতি হতে বেশি সময় লাগেনি।
এখন আমার অফিস?
এই মোবাইলটাই!
টিম সব করে, আমি শুধু ট্যুর দেই। আর আজ AI যুগে কনটেন্ট রাইটিং? ডাল ভাত!
আর গল্পটা এখানে শেষ নয়..
আপনারটার শুরু এখান থেকেই।।
Ai কে দিয়ে Essay, Research Paper, Article লিখা Business, Health Care, Toursim, Computer Science সহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর।
কোর্সটি কয়েক ঘন্টার মাত্র। রেকোর্ডেড ভিডিও আর পিডিএফ ফাইল থাকবে, যেগুলো আয়ত্ত করতে একেকজনের একেক সময় লাগতে পারে এবিলিটি অনুযায়ী। তথাপি একেবারে সহজ সরলভাবে কোর্স টি তৈরি করা হয়েছে সবার কথা মাথায় রেখে।
আপনার যদি সময় কম থাকে, তাহলে শুধু ক্লায়েন্ট খুঁজে বের করেন। যত চিনি তত মিষ্টি। রেগুলার ভিত্তিতে ক্লায়েন্ট খুঁজা টা জরুরী। প্রতিদিন যদি এক ঘন্টাও সময় দেন, কিন্তু সিরিয়াস আর রেগুলার হতে হবে। কোর্সটি সেভাবেই সাজানো
অনলাইন মার্কেটে প্রচুর কনটেন্ট রাইটার, বাট ক্লায়েন্ট খুঁজে পায় না। আমাদের টিপস ফলো করলে ক্লায়েন্ট আর ফ্রিল্যান্সার পাবেন। £75 এর একটা লেখার কাজ প্রায় 12000/- যেটা আমি সহজে 1200-1500 টাকায় করিয়ে নিই।
না। কারণ ৯৯% ক্লায়েন্টই UK তে বসবাসকারী বাংলাদেশী। ভিনদেশি ক্লায়েন্ট হলে কল দিলে বলবেন প্লিজ টেক্সট, যেটা আমি করি। কারণ আমিও ইংরেজিতে দুর্বল। বাংলায় লিখলে ইংলিশ হয়ে যাবে এমন এপ পাওয়া যায়।
এসম্পর্কিত পিডিএফ ফাইলে ডিটেইলস বলা থাকবে।
কোর্সে ডিটেইলস বলা আছে।
তাহলে আপনি ক্লায়েন্ট হান্ট করে ফ্রিল্যান্সার হায়ার করে কাজ করিয়ে নিবেন যেগুলোর বিস্তারিত পিডিএফ ফাইলে দেয়া থাকবে। আমার নিজেরও ল্যাপটপ নাই, মোবাইলই এখন সব।
ভাই, আমি বিবিএ এর স্টুডেন্ট ছিলাম, বাট CSE, Engineering বা Medical রিলেটেড কনটেন্ট এর কাজ আমি কিছুই বুঝি না। বুঝারও দরকার নাই। সাবজেক্ট এক্সপার্ট ফ্রিল্যান্সার হায়ার করে ক্লায়েন্টের সব রিকোয়ারমেন্ট ফাইল গুলো তাকে ফরওয়ার্ড করলেই এনাফ। আমি তো এখন মোস্টলি ফাইল ওপেনই করি না। ফরওয়ার্ড করেই সব কাজ ডান। ক্লায়েন্ট পেয়েছেন বাট কাজ বুঝতে পারছেন না? তাহলে আমাদের মেইল করুন।
আমার দশ বছরের ক্লায়েন্ট হান্টের অভিজ্ঞতার লেসন আপনি পাচ্ছেন মাত্র কয়েক মিনিটে! কেন পাবেন না⁉️ একমাত্র ইনসিনসিয়ার হলেই পাবেন না। সিরিয়াস আর লেগে থাকলে অবশ্যই পাবেন। একবার কয়েকটা ক্লায়েন্ট পেয়ে গেলে আপনাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না ইনশাআল্লাহ।
ক্লায়েন্ট বা ফ্রিল্যান্সার ডিল করতে না পারলে, আমাদের ইমেইল করলে আমাদের টিমই সহযোগিতা করবে। তাছাড়া আমাদের ফেসবুক গ্রুপ আছে। সেটার লিংক দেয়া হবে কোর্সে।
ভাই, দশটা ক্লায়েন্ট যখন কাজ দিতে থাকে, সবগুলো রাইটার টিমকে হ্যান্ডওভার করে কাজ আদায় করে টাইমলি ফরওয়ার্ড করতে কিছু প্রেসার আছে। আর ক্লায়েন্ট এমন এক জিনিস যেটা অন্যের সাথে শেয়ার করা মানে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারা। আমার জন্য এখন এটাই যথেষ্ট মনে করি তথাপি আমি রিল্যাক্স পছন্দ করি।
দশ বছরের অভিজ্ঞতা আর তিন মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমের বিনিময়ে বানানো কোর্স টি যেন পাইরেসি না হয় (যেহেতু কপিরাইট হারাম) এজন্য ক্যম্পেইন শেষে কোর্স টি সবার ইমেইলে দিয়ে দেয়া হবে নির্দিষ্ট সংখ্যক অংশগ্রহণকারী বুক করলেই যে কোন সময়। এক্ষেত্রে স্পেসিফিক দিন বলা যাচ্ছে না।
536, Hasan Plaza, Beside National University, Gazipur